Close Menu
Law Helpline BD
    জনপ্রিয় পোস্ট

    বাংলাদেশের আইনের ধারা ও শাস্তি সম্পর্কে জেনে নিন

    October 1, 2026

    রাগ করে তিন তালাক দিলে কি তিন তালাক গণ্য হবে? ইসলাম ও আইন

    October 1, 2026

    ৪২০ ধারা কি? ৪২০ ধারা মামলা কি জামিন যোগ্য, শাস্তি ও আইন

    October 1, 2026
    Facebook YouTube WhatsApp TikTok
    Facebook YouTube WhatsApp TikTok
    Law Helpline BD
    Subscribe Login
    • হোম
    • দন্ডবিধি আইন
    • ফৌজদারী আইন
    • নারী-শিশু আইন
      • সাক্ষ্য আইন
    • দেওয়ানী আইন
      • ভোক্তা অধিকার
    • সড়ক আইন
    • মাদক আইন
      • চাকরির খবর
    • অন্যন্য আইন
    Law Helpline BD
    • হোম
    • দন্ডবিধি আইন
    • ফৌজদারী আইন
    • নারী-শিশু আইন
    • দেওয়ানী আইন
    • সড়ক আইন
    • মাদক আইন
    • অন্যন্য আইন
    Home » গ্রেফতারি পরোয়ানা কী? গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে কী করতে হবে
    সাক্ষ্য আইন

    গ্রেফতারি পরোয়ানা কী? গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে কী করতে হবে

    Law Helpline BDBy Law Helpline BDAugust 13, 2026
    Facebook WhatsApp Pinterest Copy Link
    গ্রেফতারি পরোয়ানা কী
    Share
    Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

    গ্রেফতারি পরোয়ানা কী?

    ফৌজদারি মামলায় আদালতের আদেশে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতের সামনে হাজির করার জন্য যে লিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়, তাকে সাধারণভাবে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট বলা হয়। অর্থাৎ, গ্রেফতারি পরোয়ানা কী?—এর সহজ উত্তর হলো, এটি আদালতের জারি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত আদেশ, যার উদ্দেশ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত করা।

    সূচিপত্র

    Toggle
    • গ্রেফতারি পরোয়ানা কী?
    • গ্রেফতারি পরোয়ানা কী
    • গ্রেফতারি পরোয়ানা কত প্রকার
    • গ্রেফতারি পরোয়ানা কত কপি ইস্যু করা হয়
    • গ্রেফতারি পরোয়ানা পুলিশ কিভাবে তামিল বা কার্যকর করে
    • গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে কী করতে হবে
    • নিয়মিত হাজিরা না দিলে ওয়ারেন্ট হতে পারে
    • ওয়ারেন্ট জারি হলে দ্রুত আইনজীবীর পরামর্শ নিতে হবে
    • পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ঠিক নয়
    • গ্রেফতার হলেই অপরাধ প্রমাণ হয় না
    • আত্মগোপন না করে আদালতের আশ্রয় নিতে হবে

    কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে কী করতে হবে—এ বিষয়টি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে, কারণ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে পুলিশ আইনগতভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে বাধ্য। তাই এমন পরিস্থিতিতে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ ফৌজদারি আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, কারও বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া মানেই তিনি অপরাধী বা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এমন নয়। গ্রেফতারি পরোয়ানার মূল উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আদালতে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা কী

    কোন ব্যক্তিকে  গ্রেফতার করার জন্য  উক্ত ব্যক্তির নাম ও ঠিকানাসহ মামলার নম্বর, অপরাধের ধারা ও তামিলকারী অফিসারের  নাম ও পদবী উল্লেখ করে  নিধারিত ফরমের এক কপিতে  বিচারকে কর্তৃক স্বাক্ষরিত সিলমোহরযুক্ত আদেশ নামাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট বলে।

    মামলার হাজিরা দিতে কত টাকা লাগে? হাজিরার নিয়ম ও করণীয় (২০২৬-২০২৭)

    এক কথায় গ্রেফতারি পরোয়ানা হলো আদালতের দেওয়া এমন একটি লিখিত আইনগত আদেশ, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সাধারণত ফৌজদারি মামলায় আদালত যখন মনে করেন যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত করানো প্রয়োজন, তখন আইন অনুযায়ী গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা অবশ্যই লিখিত হবে এবং তাতে সংশ্লিষ্ট বিচারকের স্বাক্ষর ও আদালতের সিল থাকতে হবে। অর্থাৎ, কোনো মৌখিক নির্দেশকে গ্রেফতারি পরোয়ানা বলা যায় না।

    পুলিশ বা অন্য কোনো ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় আদালতের পরোয়ানা হিসেবে কোনো কাগজ তৈরি করে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন না। পরোয়ানা যথাযথ আদালত থেকে জারি হতে হয় ।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গ্রেফতারি পরোয়ানা সাধারণত নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে জারি হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করার মতো প্রয়োজনীয় তথ্য থাকে এবং তাকে গ্রেফতার করে কোন আদালতে হাজির করতে হবে, সেই বিষয়ে নির্দেশ থাকতে পারে।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা কত প্রকার

    গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সাধারণভাবে অনেক সময় “কয় প্রকার” প্রশ্ন করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধিতে গ্রেফতারি পরোয়ানাকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় ভাগ করা হয়নি।

    তবে পরোয়ানায় জামিন বা নিরাপত্তা গ্রহণের সুযোগ আছে কি না, সে দিক থেকে বিষয়টি বোঝা যায়। আদালত চাইলে গ্রেফতারি পরোয়ানায় এমন নির্দেশ দিতে পারেন যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্দিষ্ট সংখ্যক জামিনদারসহ বন্ড সম্পাদন করলে তাকে হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়া যাবে এবং নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হতে হবে। (Attorney General of Bangladesh)

    এ ধরনের পরোয়ানায় আদালত জামিনের বন্ডের পরিমাণ, জামিনদারের সংখ্যা এবং আদালতে হাজির হওয়ার সময় উল্লেখ করতে পারেন। ফলে পরোয়ানা হাতে থাকলেও আদালতের নির্দেশে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে হেফাজত থেকে মুক্তির সুযোগ থাকতে পারে।

    মামলায় পড়লে করণীয় কি জেনে রাখুন !

    তবে গ্রেফতারি পরোয়ানায় এ ধরনের জামিনের নির্দেশ না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে  পুলিশ  গ্রেফতার করে  আদালতে হাজির করে থাকে  এবং পরবর্তীতে  আদালত আইন অনুযায়ী জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করেন। বাংলাদেশের প্রায় ৯৭% গ্রেফতারি পরোয়ানায় জামিনদারসহ বন্ড সম্পাদনের সুযোগ দেওয়া হয় না। তাই কোন ব্যাক্তির নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যূ হলে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা কত কপি ইস্যু করা হয়

    ফৌজদারি কার্য বিধি  ৭৫  ধারা বলে যে পরোয়ানা লিখিত হতে হবে, বিচারকের স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং আদালতের সিল থাকতে হবে। গ্রেফতারি পরোয়ানা কয় কপি ইস্যু করা হবে এ বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭৫-এ কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। তবে বাস্তবিক ভাবে ০১ (এক) কপিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যূ করা হয়।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা পুলিশ কিভাবে তামিল বা কার্যকর করে

    গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল বা কার্যকর করার অর্থ হলো আদালতের জারি করা পরোয়ানার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে গ্রেফতার করা এবং পরোয়ানায় নির্দেশিত আদালতে হাজির করা। গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে যে কোন পুলিশ কর্মকতা গ্রেফতার করে ওয়ারেন্ট তামিল করতে পারে।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা কী

    গ্রেফতারি পরোয়ানা পুলিশ কর্মকতা আদালতের স্থানীয় এলাকার মধ্যেই কার্যকর করতে পারে এমন নয়।  বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে পুলিশ গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে অর্থাৎ ওয়ারেন্টধারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।

    তবে যে পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তি পরোয়ানা কার্যকর করবেন, তিনি গ্রেফতার করতে যাওয়া ব্যক্তিকে পরোয়ানার বিষয়বস্তু জানাবেন এবং ওই ব্যক্তি চাইলে পরোয়ানা দেখাতে হবে।

    কিভাবে জামিন নিবেন, জামিনের পদ্ধতি।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে কী করতে হবে

    কোনো মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে এমন খবর পেলে প্রথমেই বিষয়টি সত্য কি না নিশ্চিত করতে হবে। শুধু কারও মুখে শোনা বা ফোনে পাওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি বা মামলার সর্বশেষ আদেশ থেকে বিষয়টি যাচাই করা ভালো। গ্রেফতারের আশঙ্কা থাকলে নিজে থানায় যাওয়ার পরিবর্তে প্রথমে আইনজীবী বা বিশ্বস্ত ব্যক্তির মাধ্যমে তথ্য নেওয়া যেতে পারে।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা কী? গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে কী করতে হবে

    নিয়মিত হাজিরা না দিলে ওয়ারেন্ট হতে পারে

    ফৌজদারি মামলায় আদালতের নির্ধারিত তারিখে নিয়মিত হাজিরা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাজিরার তারিখ মিস করা বা আদালতের নির্দেশ অমান্য করার কারণে পরিস্থিতি অনুযায়ী গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে। তবে একবার হাজিরা না দিলেই সব মামলায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়ারেন্ট হয় এমন নয়। আদালত মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন। তাই শুরু থেকেই মামলার তারিখ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

    ওয়ারেন্ট জারি হলে দ্রুত আইনজীবীর পরামর্শ নিতে হবে

    ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে নিশ্চিত হলে বিষয়টি ফেলে রাখা উচিত নয়। দ্রুত মামলার কাগজপত্র নিয়ে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। মামলার ধারা, পরোয়ানার ধরন ও আদালতের আদেশ দেখে আইনজীবী পরবর্তী পদক্ষেপের পরামর্শ দেবেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন বা প্রয়োজনীয় অন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

    পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ঠিক নয়

    ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর পুলিশ কখন গ্রেফতার করবে, সেই অপেক্ষায় থাকা বা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা কোনো সমাধান নয়। বরং আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অনেক ক্ষেত্রে বেশি যুক্তিসঙ্গত। পুলিশ পরোয়ানা কার্যকর করে গ্রেফতার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইন অনুযায়ী আদালতে হাজির করা হবে এবং এরপর আদালত জামিনসহ পরবর্তী বিষয় বিবেচনা করবেন।

    গ্রেফতার হলেই অপরাধ প্রমাণ হয় না

    পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া মানেই কোনো ব্যক্তি অপরাধী বা দোষী প্রমাণিত হয়েছেন এমন নয়। অপরাধ প্রমাণের বিষয়টি আদালতের বিচার ও প্রমাণের ওপর নির্ভর করে। তবে গ্রেফতার হয়ে হেফাজতে গেলে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হারানো এবং জামিনের জন্য অতিরিক্ত আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হতে পারে। তাই ওয়ারেন্টের খবর পাওয়ার পর দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া ভালো।

    ভূয়া পুলিশ চেনার উপায়।

    আত্মগোপন না করে আদালতের আশ্রয় নিতে হবে

    ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা সমস্যার সমাধান নয়। বরং আদালতে হাজির না হয়ে আত্মগোপন করলে মামলার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এবং আইন অনুযায়ী আদালত পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারেন। তাই আত্মগোপনের পরিবর্তে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় প্রতিকার চাওয়া উচিত।

    ভবিষ্যতে ওয়ারেন্ট এড়াতে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে

    মামলায় ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার অন্যতম কারণ যদি হাজিরা না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে প্রতিটি ধার্য তারিখের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। মামলার পরবর্তী তারিখ লিখে রাখা, আইনজীবীর সঙ্গে আগে থেকেই যোগাযোগ করা এবং ব্যক্তিগত হাজিরা প্রয়োজন কি না তা জেনে নেওয়া জরুরি। কোনো কারণে হাজির হতে সমস্যা হলে আগেই আইনজীবীকে জানাতে হবে।

    আইনজীবীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে

    মামলা চলাকালীন শুধু প্রয়োজনের সময় আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ না করে নিয়মিত মামলার খোঁজ রাখা উচিত। পরবর্তী তারিখ, আদালতের নতুন আদেশ এবং হাজিরার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আইনজীবীর কাছ থেকে তথ্য নিতে হবে। এতে অনিচ্ছাকৃতভাবে হাজিরা মিস করা এবং পরবর্তীতে ওয়ারেন্ট জারির ঝুঁকি কমে।

    শেষ কথা

    গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ভয় না পেয়ে প্রথমে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এরপর দ্রুত আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আদালতের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ, জামিন বা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার অপেক্ষা করা কিংবা আত্মগোপনে থাকা নয়, বরং আদালতের নির্দেশ মেনে আইনগতভাবে সমস্যার সমাধান করাই সবচেয়ে ভালো পথ।

    Follow on YouTube Follow on Facebook
    Share. Facebook WhatsApp Pinterest Copy Link
    Law Helpline BD
    • Website

    Related Posts

    চেকের মামলা কি, চেক মামলার শাস্তি ও মামলা থেকে বাচার উপায়

    By Law Helpline BDSeptember 19, 2026

    মামলার চার্জশিট বা অভিযোগপত্র কি? কখন দেওয়া হয় ও এর গুরুত্ব

    By Law Helpline BDSeptember 9, 2026

    থানায় জিডি করার নিয়ম: হারানো ও অভিযোগ জিডির নমুনা কপি (২০২৭)

    By Law Helpline BDAugust 24, 2026

    ৩০৭ ধারা মামলা কি জামিন যোগ্য? শাস্তি, মিথ্যা মামলা ও করণীয়

    By Law Helpline BDAugust 11, 2026
    আপডেট পোস্ট

    বাংলাদেশের আইনের ধারা ও শাস্তি সম্পর্কে জেনে নিন

    October 1, 2026

    রাগ করে তিন তালাক দিলে কি তিন তালাক গণ্য হবে? ইসলাম ও আইন

    October 1, 2026

    ৪২০ ধারা কি? ৪২০ ধারা মামলা কি জামিন যোগ্য, শাস্তি ও আইন

    October 1, 2026

    বাংলাদেশের আইনের ধারা কতটি?

    September 30, 2026
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
    • Facebook
    • YouTube
    • TikTok
    • WhatsApp
    আরও পড়ুন
    অন্যন্য আইন

    বাংলাদেশের আইনের ধারা ও শাস্তি সম্পর্কে জেনে নিন

    By Law Helpline BDOctober 1, 2026

    ভূমিকা বাংলাদেশ একটি আইনশাসিত রাষ্ট্র। দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার…

    রাগ করে তিন তালাক দিলে কি তিন তালাক গণ্য হবে? ইসলাম ও আইন

    October 1, 2026

    ৪২০ ধারা কি? ৪২০ ধারা মামলা কি জামিন যোগ্য, শাস্তি ও আইন

    October 1, 2026

    বাংলাদেশের আইনের ধারা কতটি?

    September 30, 2026

    আইনী পরামর্শ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

    আইনী পরামর্শ ও সাম্প্রতিক আইনগত আপডেট পেতে ইমেইলে সাবস্ক্রাইব করুন।

    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    আমাদের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পরামর্শ, দলিল বা চুক্তি তৈরি, জমি বা পারিবারিক বিরোধ সম্পর্কিত আইনি গাইডলাইন প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্লগ বা আর্টিকেল অংশে নানা আইনি বিষয়ে সচেতনতামূলক লেখা প্রকাশ করা হয়

    Email Us: lawhelplinebd@gmail.com
    Contact: +8801760869252

    আপডেট পোস্ট

    বাংলাদেশের আইনের ধারা ও শাস্তি সম্পর্কে জেনে নিন

    October 1, 2026

    রাগ করে তিন তালাক দিলে কি তিন তালাক গণ্য হবে? ইসলাম ও আইন

    October 1, 2026

    ৪২০ ধারা কি? ৪২০ ধারা মামলা কি জামিন যোগ্য, শাস্তি ও আইন

    October 1, 2026
    ক্যালেন্ডার
    October 2026
    M T W T F S S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031  
    « Sep    
    Facebook YouTube WhatsApp TikTok
    • শর্তাবলী
    • গোপনীয়তা
    • পরিচিতি
    © 2026 Jewel Das. Designed by Law Helpline BD.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Sign In or Register

    Welcome Back!

    Login to your account below.

    Lost password?