নারীরা বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়। যার খবর মাঝে মধ্যে বিভিন্ন পত্রিকায় আসে। তবে লক্ষ্য করে দেখবেন ধর্ষিত নারীর বা শ্লীলতাহানির শিকার কোন নারীর ছবি কিংবা পরিচয় পত্রিকায় দেওয়া হয় না। এ নিয়ে হয়তো আপনি গুরুত্ব সহকারে চিন্তা করেননি। তবে সচেতন নাগরিক হিসেবে বিষয়টি জানা প্রয়োজন। এই পোস্টের মাধ্যমে কেন ধর্ষিত নারীর পরিচয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হয় না তা আলোচনা করা হল। পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে এ বিষয়ে নতুন তথ্য জানতে পারবেন।
নির্যাতিতা নারীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশ করার সাথে আত্মসম্মানের বিষয়টি জড়িত। অনেক নারী রয়েছে যারা নির্যাতনের শিকার হলে বিষয়টি জানাজানির কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। সামাজিকভাবে সম্মানহানি হওয়ার আশংকা থাকে। তাই সংবাদমাধ্যমে পরিচয় প্রকাশ না করার বিষয়টি মানবিক দিক থেকে চিন্তা করা হয়। তাছাড়া পরিচয় প্রকাশ না করার জন্য একটি আইন রয়েছে। যাহার মূল উদ্দেশ্য অপরাধের শিকার কোন নারী বা শিশুর পরিচয় যাহাতে পত্রিকায় প্রকাশ করা না হয়।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুননারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী–২০১৮) এর ১৪(১) ধারা মোতাবেক নির্যাতনের শিকার কোন নারী বা শিশুর তথ্য, নাম ঠিকানা,পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী–২০১৮) এর ১৪(২) ধারা মোতাবেক
যদি কোন সংবাদমাধ্যম নির্যাতিতা নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ করে তবে তা অপরাধ বলে গন্য হবে। আইনভঙ্গকারী ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিবর্গ অনধিক ০২ (দুই) বছর কারাদন্ড বা অনুধ্ব ০১ (এক) লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী–২০১৮) এর মূল উদ্দেশ্য নারী ও শিশু সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ রাখা, নারীদের সুরক্ষা ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা। মূলত উক্ত আইনের কারণেই নির্যাতিতা নারীর পরিচয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হয় না কোন ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিবর্গ উক্ত আইন ভঙ্গ করলে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা যাবে।
