জনগণ ও পুলিশ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় পুলিশের গঠন, কাঠামো ও বাংলাদেশ পুলিশের পদবি সমূহ চেনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাছাড়া প্রশাসনিক বা আইনি প্রয়োজনে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করার সময় যদি আপনি জানেন কোন পদবীর কর্মকর্তা কী দায়িত্বে আছেন, তাহলে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সেবা পাওয়া সহজ হয়। এমনকি যারা সরকারি চাকরি, বিশেষ করে পুলিশ বা প্রশাসনিক পদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য পুলিশের পদক্রম Rank ব্যাজ সম্পর্কে ধারণা এবং পদবি অনুযায়ী কার কি কাজ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
(১) কনস্টেবল (Constable): পুলিশের সর্বনিম্ন পদ হচ্ছে পুলিশ কনস্টেবল। যদি কোন পুলিশ সদস্যের সোল্ডার খালি তাকে তবে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন পুলিশ কনস্টেবল। এটি ১৭ তম গ্রেড। সারা বাংলাদেশ থেকে এই পদে সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয়। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কনস্টেবল গুরু দায়িত্ব পালন করে। সর্বনিম্ন পদ হলেও বাংলাদেশের আইনে পুলিশ কনস্টেবলের প্রচুর ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

কাজঃ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ডিউটি, দিবাকালীন বা রাত্রীকালীন টহল ডিউটি, বিভিন্ন ধরনের এস্কর্ট ডিউটি, আসামি পাহাড়া, পরীক্ষার হলে নিরাপত্তা ডিউটি ইত্যাদি।
সাব ইন্সপেক্টর বা এস আই নিয়োগ, ট্রেনিং, যোগ্যতা, দায়িত্ব ও বেতনভাতাদি বিস্তারিত।
(২) নায়েক (Nayek): এই পদে সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয় না। পুলিশ কনস্টেবল হতে পদোন্নতি দিয়ে এই পদে লোক নিয়োগ করা হয়। এই পদে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য পুলিশ কনস্টেবল পদে তিন বছর চাকরি সম্পূর্ণ করতে হয়। এটি ১৫ তম গ্রেড। এই পদবির পুলিশ সদস্যদের সোল্ডারে দুটি লাল ফিতা করে মোট ০৪ টি লাল ফিতা থাকে। পিআরবি বিধি মোতাবেক এই পদের স্পেশাল কিছু ক্ষমতা রয়েছে। তারা কোন সেন্টি ডিউটি করবে না। নায়েক পদবি পুলিশ সদস্যরা সব সময় বাড়ি ভাড়া ৪৫% বা তার বেশি পেয়ে থাকে।

কাজ: সাধারণ টহল ডিউটি ইনচার্জ, আসামী এক স্থানান্তর বা গার্ড ডিউটির ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন ও আইন শৃঙ্খলা ডিউটি করে। অনেক সময় পুলিশ বাহিনীর নিজস্ব অফিসিয়াল কাজ করতে এই পদের পুলিশ সদস্যদের দেখা যায়।
(৩) এএসআই(ASI): Asi এর পূর্ণরুপ assistant sub inspector. এটি ১৪ তম গ্রেড। এই পদে সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয় না। পুলিশ বাহিনী হতে পদোন্নতি দিয়ে এই পদে জনবল পূর্ণ করা হয়। এই পদে পুলিশ বাহিনীতে ০৩ টি আলাদা ভাগ রয়েছে। যেমন এএসআই(নি:), এএসআই(স:), এটিএসআই-

এএসআই (নিঃ): পুলিশ কনস্টেবল পদে যারা ভর্তি হয় তারা চাকরি ০৬ বছর পূর্ণ হলে এই পদে পদোন্নতি পরীক্ষা দিতে পারে। কনস্টেবল হতে সরাসরি এই পদে পদোন্নতি পাওয়া যায়, আবার অনেকে কনস্টেবল হতে নায়েক হয়ে এএসআই(নি:) পদে পদোন্নতি পরীক্ষা দেয়। পুলিশ সদস্যদের প্রধান চাহিদা থাকে এই পদে পদোন্নতি পাওয়া।
কাজঃ অধর্তব্য অপরাধের তদন্ত, থানার ডিউটি অফিসার, আসামি গ্রেফতার, অপমৃত্যু মামলা তদন্ত, মাদক উদ্ধার, ডিউটি পার্টির ইনচার্জ ইত্যাদি।
এএসআই (স:): কনস্টেবল পদ হতে সরাসরি এএসআই(স:) পদের জন্য পরীক্ষা দেওয়া যায় না। নায়েক হয়ে ০৩ বছর চাকরি করার পরে এই পদে পদোন্নতি পরীক্ষা দেওয়া যায়। এই পদের পুলিশ অফিসার থানায় পোস্টিং হয় না। এরা পুলিশ লাইনে দায়িত্ব পালন করে।
কাজ: পুলিশ লাইনে বিভিন্ন ডিউটি, গার্ড কমান্ডার, বিভিন্ন এস্কর্ড ডিউটি, তাছাড়া এই পদের পুলিশ অফিসারদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হল ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা।বাংলাদেশ পুলিশের যারা সরাসরি ভর্তি হয় যেমন কনস্টেবল, এসআই, এএসপি সকলের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। তাই তাদেরকে পূর্বে হাবিলদার বলা হত। বর্তমানে এএসআই(স:) হিসেবে তারা পরিচিত।
পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ, যোগ্যতা, ট্রেনিং ও বেতনভাতাদি বিস্তারিত।
এটিএসআই (ATSI): ATSI (assistant town sub inspector) . এএসআই (নি:), (স) পদের মতই সোল্ডারে ০২ টি ফুল থাকে। কনস্টেবল হতে ০৬ বছর চাকরি শেষে এই পদে পদোন্নতি পরীক্ষা দেওয়া যায়। এই পদে তেমন একটা পদোন্নতি দেওয়া হয় না। তবু অনেকে পদোন্নতি পেয়ে এই পদে দায়ি পালন করে।
কাজঃ এই পদের পুলিশ অফিসারের মূল কাজ হল ট্রাফিক ডিউটি করা। থানা এলাকা কিংবা শহরে এরা যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকেন।
(৪) এসআই (SI): এই পদের পুলিশ অফিসারকে SI (sub inspector) বা দারোগা বলা হয়। পোষাকের সোল্ডারে ০২ টি করে দুপাশে মোট ০৪ টি ফুল থাকে।এর ০৩ টি ভাগ আছে এসআই (নি:), সার্জেন্ট, এসআই(স),। আজকে ০৩ টি পদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

এসআই (নি:): এই পদটিকে পুলিশ বাহিনীর মেরুদণ্ড বলা হয়। পুলিশ অফিসারদের মধ্যে এই পদে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই পদে মোট জনবলের ৫০% সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয়, ৫০% পুলিশ বাহিনী হতে এএসআই (নি:) থেকে পদোন্নতি দিয়ে জনবল পূর্ণ করা হয়।
কাজ: সকল প্রকার মামলা যেমন খুন, ডাকাতি, দস্যূতা, ছিনতাই, ধর্ষণ সহ সকল ধরনের মামলার তদন্ত ক্ষমতা, আসামি গ্রেফতার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার সহ প্রায় সকল ধরনের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
এসআই(স:): এই পদে সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয় না। এএসআই (স:) থেকে পদোন্নতি দিয়ে এই পদে লোক দেওয়া হয়। এই পদটি এসআই (নি:) পদের সমমান হলেও আইনে তাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই পদের পুলিশ অফিসারদের থানায় পোস্টিং করা হয় না। এরা সাধারণ পুলিশ লাইনে দায়িত্ব পালন করে।
কাজ: আইন শৃঙ্খলা ডিউটি, বিভিন্ন এস্কর্ট, ট্রেনিং সেন্টারের আইন প্রশিক্ষক, ডিউটি পরিদর্শক ইত্যাদি।
সার্জেন্ট (sargent): এই পদে পুলিশ অফিসারের সোল্ডারে ০২ টি কে মোট ০৪ টি ফুল এবং কাধে লাল রিবন থাকে। এই পদে সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয়। পুলিশ বাহিনীর থেকে পদোন্নতি দিয়েই এই পদে লোক পূর্ন করা হয় না।
কাজঃ এই পদের পুলিশ অফিসারকে থানা কিংবা পুলিশ লাইনে দেখতে পাবেন না। এদের মূল কাজ হচ্ছে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ। সাধারণত রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মামলা দিতে দেখা যায়। এরা মামলা তদন্ত করতে পারে না। তবে গাড়িতে মামলা দেওয়া ও রেকার লাগানোর জন্য পারদর্শী। সারা বাংলাদেশে গাড়িতে যত মামলা দেওয়া হয় তার ৮০% এই পদের পুলিশ অফিসার দিয়ে থাকেন।
টিএসআই(TSI): TSI (town sub inspector).। এই পদে সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয় না। এটিএসআই থেকে পদোন্নতি পেয়ে এই পদে আসেন। মূলত যানবাহন নিয়ন্ত্রণে যে সকল জায়গায় সার্জেন্ট পদের অফিসার দেওয়া হয় না সেখানে টিএসআই দায়িত্ব পালন করেন।
৯৯৯ এর সেবা সমূহ কি কি, ৯৯৯ এ কল করলে কি পুলিশ আসে ?
কাজ: থানা অথবা শহর এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ। তাদের যেকোনো যানবাহনকে মামলা দেওয়ার আইনি ক্ষমতা রয়েছে । সাধারণত রাস্তায় দাঁড়িয়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায়।
(৫) পুলিশ পরিদর্শক (Inspector): পোষাকের সোল্ডারে ০১ টি করে মোট ০২ টি পিপস থাকে। এটি গ্রেড ০৯ম এবং ০১ ম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা। পুলিশ বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ পদ। পদটি ওসি, অফিসার ইনচার্জ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নামে পরিচিত। এই পদের সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয় না। এসআই (নি:) থেকে পদোন্নতি পেয়ে এই পদে আসেন। একটি থানার দায়িত্বে থাকাকালীন পুলিশ পরিদর্শক সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদ। প্রতিটি এসআই (নিরস্র) পুলিশ অফিসারের স্বপ্ন তাকে এই পদে পদোন্নতি পাওয়া।

কাজ: একটি থানা, ফাঁড়ি অথবা কোন ইউনিটের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। থানা অথবা ফাঁড়ি দায়িত্ব থাকাকালীন অধীনস্থ সকল ফোর্স তার নির্দেশে দায়িত্ব পালন করে। থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উনি অনেকটা দায়ী থাকেন।
(৬) সহকারী পুলিশ সুপার (ASP): পোষাকের সোল্ডারে ০২ টি পিপস করে মোট ০৪ টি পিপস থাকে। এই পদে সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয়। তাছাড়া ডিপার্টমেন্টাল ভাবে পদোন্নতি পেয়েও এই পদে আসা যায়। যারা সরাসরি আসতে চান তাদেরকে বিসিএস পাশ করে এই পদে যোগদান করতে হবে।

কাজঃ সাধারণ দু তিনটি থানা নিয়ে একটি সার্কেল গঠিত হয়। এই পদের পুলিশ অফিসারকে সার্কেলের প্রধান নিযুক্ত করা হয়। উনার কাজ হচ্ছে থানা এলাকার মধ্যে নিম্নস্থ সকল পুলিশ কর্মচারীর কাজে তদারকি করা।
(৭) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (Senior assistant Superintendent of police): পোশাকের শোল্ডারের ০৩ টি করে পিপস মোট ০৬ টি পিপস থাকে এএসপি থেকে পদোন্নতি পেয়ে এই পদে যোগদান করা হয়। এই পদের সরাসরি লোক নিয়োগ করা হয় না। মেট্রোপলিটন এলাকায় কর্মরত থাকলে সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার বলা হয়।
কাজঃ একটি সার্কেলের দায়িত্ব থাকে। এবং সকল কাজের তদারকি করেন।
(৮) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (Add.SP) Additional Superintendent of police): পোষাকের সোল্ডারে ০১ টি শাপলা করে মোট ০২ টি শাপলা। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার হইতে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হওয়া যায়। মেট্রোপলিটন এলাকায় কর্মরত থাকলে অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার বলা হয়। পুলিশ সুপার জেলায় উপস্থিত না থাকলে উনি জেলার দায়িত্ব পালন করেন।
কাজঃ একটি জেলার সকল অফিসারদের কাজের তদারকি করা । মামলার তদন্ত তদারকি ও পুলিশ সদস্যদের বদলি সংক্রান্ত কাজ উনি করে থাকেন।
(৯) পুলিশ সুপার (SP): সোল্ডারে ০১ টি শাপলা ও ০১ পিপস থাকে মোট ০২ টি শাপলা ০২ টি পিপস। SP (Superintendent of polic). মেট্রোপলিটন এলাকায় দায়িত্ব থাকলে উপ-পুলিশ কমিশনার বলা হয়। একটি জেলার সকল পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বে থাকেন। পুলিশ বাহিনীর অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ। আইনে প্রচুর ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
কাজ: জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় দায়িত্ব থাকলে সকল থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজের তদারকি করে থাকেন।
(১০) অতিরিক্ত ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেশন অব পুলিশ (Add.DIG): পোষাকের সোল্ডারে ০১ টি শাপলা ০২ টি পিপস করে মোট ০২ টি শাপলা ০৪ টি পিপস। পুলিশ সুপার থেকে পদোন্নতি পেয়ে এই পদে নিয়োগ করা হয়। সমগ্র বভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকেন। ডিআইজি হাজির না থাকলে উনি বিভাগের দায়িত্বে থাকেন।
কাজ: ডিআইজি এর অবর্তমানে সমগ্র বিভাগের পুলিশ সদস্যদের কাজের তদারকি করেন।
(১১) ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেশন অব পুলিশ (DIG): পোষাকের সোল্ডারে…..। পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ। একটি বিভাগের পুলিশ বাহিনীর প্রধান। প্রতিটি বিভাগে একজন করে এই পদের পুলিশ অফিসার দায়িত্বে থাকেন।

কাজ: একটি বিভাগে যতগুলো থানা রয়েছে সকল থানার তদারকি করে দায়িত্ব পালন করেন। তাহার অধীনে জেলার পুলিশ সুপারদের রয়েছে প্রতিটি পুলিশ সুপারের কাজের তদারকি করেন। বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান।
(১২) অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক (Add.IGP): পোষাকের সোল্ডারে। বাংলাদেশ পুলিশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। সম্মানিত একটি পথ। এই পদের পুলিশ কর্মকর্তাদের পোস্টিং সাধারনত পুলিশ হেডকোয়ার্টারে হয়ে থাকে।
পুলিশের চাকরী করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে কেন ?
কাজ: বিভিন্ন দায়িত্ব থাকেন যেমন- সমগ্র, পুলিশ বাহিনীর পোষাক, লজিস্টিক, দেশের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও পর্যালোচনা এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্য অফিসারদের বদলি সংক্রান্ত দায়িত্ব ইত্যাদি।
(১৩) মহা পুলিশ পরিদর্শক (IGP): IGP (Inspector General of police). পোষাকের সোল্ডারে ও পার্শ্বে ঢাল তলোয়ারে। সমগ্র পুলিশ বাহিনীর প্রধান।

কাজ: পুলিশ বাহিনী ও সমগ্র দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দাযিত্বে থাকেন।
উপসংহারঃ
পুলিশ বাহিনীতে শুধুমাত্র কনস্টেবল, এসআই (নি:), সার্জেন্ট ও এএসপি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
কনস্টেবল পদে ভর্তি হয়ে সর্বোচ্চ সহকারী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এসআই (নি:) পদে যোগদান করে সর্বোচ্চ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এএসপি পদো যোগাদান করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মহা পুলিশ পরিদর্শক পদে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে।
ডিপার্টমেন্ট পদোন্নতি ক্রমানুসারে- কনস্টেবল >>নায়েক>> এএসআই(নি:)/ এএসআই(স:)/এটিএসআই>>এসআই(নি:)/এসআই (স:)/টিএসআই>> পুলিশ পরিদর্শক(নি:)/পুলিশ পরিদর্শক(স:)/ টিআই>>এএসপি>> অতিরিক্ত এসপি >>এসপি>>অতি: ডিআইজি >>ডিআইজি>> অতি: মহা পুলিশ পরিদর্শক >> মহা পুলিশ পরিদর্শক।
