ধর্ষণ কিঃ
যদি কোন ব্যাক্তি স্ত্রীলোকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, সম্মতি ব্যতিত, কিংবা মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতিসহ যৌন সঙ্গম করে তাহলে থাকে ধর্ষণ বলে।
(ধর্ষণের সংজ্ঞা দন্ডবিধি ৩৭৫ ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং–২০১৮) এর ২(ঙ) ধারায় বর্ণিত আছে)
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনধর্ষণ একটি মারাত্মক অপরাধ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের সমাজে দিন দিন ধর্ষণের মত গর্হিত অপরাধ বেড়েই চলেছে। আইনে ধর্ষণের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।ধর্ষণের মত একটি গর্হিত অপরাধের শাস্তি কি তা অনেকেই জানেন না।নিচে প্রকারভেদ অনুযায়ী ধর্ষণের শাস্তি কি, কত দিনের জেল ও জরিমানা হতে পারে তা দেওয়া হল।
০১। একজন ব্যাক্তি কর্তৃক ধর্ষণের শাস্তি কিঃ
যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষন করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত হইবেন ইহার অতিরিক্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।
(নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং–২০১৮) এর ৯(১) ধারা মোতাবেক )
০২। একজন ব্যাক্তি কর্তৃক ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি কিঃ
যদি কোন ব্যাক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তীতে তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের পরে ধর্ষিতা নারী বা শিশুর মৃত্যু হলে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হইবেন, অতিরিক্ত নিম্নে ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দন্ডিত হইবেন। (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং–২০১৮) এর ৯(২) ধারা মোতাবেক)
০৩। একাধিক ব্যাক্তি কর্তৃক বা গণধর্ষণের শাস্তিঃ
যদি একাধিক ব্যাক্তি দলবদ্ধভাবে নারী বা শিশুকে ধর্ষন করে এবং ধর্ষনের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন হইলে ওই দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত হইবেন, অতিরিক্ত নিম্নে ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দন্ডিত হইবেন।(নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং–২০১৮) এর ৯(৩) ধারা মোতাবেক)
০৪। ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু বা আহত করিবার চেষ্টার শাস্তিঃ
যদি কোন ব্যাক্তি ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানো বা আহত করার চেষ্টা করে তা হইলে উক্ত ব্যাক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড অতিরিক্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।(নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং–২০১৮) এর ৯(৪)(ক) ধারা মোতাবেক )
০৫। ধর্ষণের চেষ্টার শাস্তিঃ
যদি কোন ব্যাক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষন করার চেষ্টা করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি নিম্নে ০৫ (পাঁচ) বছর হইতে উর্ধে ১০ (দশ) বছর কারাদন্ডে দন্ডিত হইবেন ইহার অতিরিক্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।(নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং–২০১৮) এর ৯(৪) (খ) ধারা মোতাবেক)
০৬। পুলিশ হেফাজতে ধর্ষণের শাস্তিঃ
যদি কোন নারী বা শিশু পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ধর্ষণের শিকার হয় তাহলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরুপ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, ভিন্নরুপ প্রকাশ না হইলে প্রত্যেকে নিম্নে ০৫ (পাঁচ) বছর হইতে উর্ধে ১০ (দশ) বছর কারাদন্ডে দন্ডিত হইবেন ইহার অতিরিক্ত নিম্নে ১০ (দশ) হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।(নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং–২০১৮) এর ৯(৫) ধারা মোতাবেক)
