র্যাব (RAB):
স্পেশাল ফোর্সের মধ্যে অন্যতম র্যাব। এটি বাংলাদেশের এলিট ফোর্স। অনেকে র্যাবে যোগদান করার জন্য RAB কিভাবে হওয়া যায় জানতে চান।RAB এর পূর্ণরুপ হল rapid action battalion. বাহিনীটি ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ গঠন করা হয়। প্রায় ১২০০০ জনবল নিয়ে একই বছরের ১৪ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে। সন্ত্রাস, জঙ্গি বাদ দমনে “বাংলাদেশ আমার অহংকার” মূল নীতিবাক্য নিয়ে এর পথচলা শুরু।
প্রায় ২০ বছর ধরে অনেক আলোচিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার, জঙ্গিবাদ নির্মূল, বিপুল সংখ্যক মাদক উদ্ধারে র্যাব এর ভূমিকা খুবই প্রশংসনীয়। সংবাদপত্রের শিরোনামে র্যাব RAB এর ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার ঘটনা প্রায় সময় শুনা যায়। তবুও বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় র্যাব এর বিকল্প নেই।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনর্যাব RAB কিভাবে হওয়া যায়ঃ
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অনেকেই র্যাব এর মত এলিট ফোর্সে যোগ দিতে আগ্রহী। তারা এই এলিট ফোর্সে যোগদান করা গর্বের বিষয় বলে মনে করেন। তবে যারা র্যাবে কিভাবে যোগদান করতে চান তাদের জন্য কিছুটা নিরাশ হওয়ার মত তথ্য হল RAB এর নিজস্ব কোন জনবল নেই। এই স্পেশাল ফোর্সে সরাসরি লোক নিয়োগ দেওয়া হয় না।
এটি মূলত একটি যৌথবাহিনী। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও আনসার বাহিনীর সদস্যগণ মূলত র্যাবে যোগদান করে। এক্ষেত্রে প্রতিটি বাহিনী হতে জনবল নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ( অনুমান ২-৩) বছরের জন্য র্যাবে বদলী করা হয়। নির্দিষ্ট মেয়াদান্তে RAB হতে পুনরায় তারা স্ব স্ব বাহিনীতে যোগদান করে।
স্পেশাল ফোর্সটির মোট জনবলের পুলিশ বাহিনী ৪৪%, সেনা-নৌ-বিমান বাহিনী ৪৪%, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ৬%, আনসার বাহিনী হতে ৪%, কোস্টগার্ড ১% ও সিভিল প্রশাসন ১% জনবল নেওয়া হয়। তাই র্যাবে (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) যারা যোগদান করতে চান তাদের নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ বাহিনী, কোস্টগার্ড ও আনসার বাহিনীর যে কোন একটি বাহিনীতে যোগদান করে আপনি সহজেই RAB (rapid action battalion) এর গর্বিত সদস্য হতে পারেন।
