হ্যাকিং (hacking):
বর্তমানে আমরা যারা কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওয়েবসাইট, ইউটিউব, ফেসবুক, গুগল ব্রাউজার ব্যবহার করছি তাদের নিকট হ্যাকিং একটি পরিচিত শব্দ। বর্তমানে হ্যাকিং করে ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সংঘটিত হচ্ছে । তাই হ্যাকিং করার শাস্তি কি, হ্যাকিং সহায়তাকারীর কি জেল হয় সে সম্পর্কে জেনে রাখা ভাল। হ্যাকিং সহ ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারায় বিধান রাখা হয়েছে। আজকের পোস্টের মাধ্যমে হ্যাকিং করার শাস্তি কি, হ্যাকিং সহায়তাকারীর কি জেল হয় কিনা তার বিস্তারিত জানতে পারবেন।
ফেসবুকে যে কাজগুলো করলে ১০ বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনহ্যাকিং কি (What is hacking):
যদি কোন ব্যাক্তি নিজ মালিকানাধীন বা দখলবিহীন কোন কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রবেশ করে তার ক্ষতিসাধন করে থাকে হ্যাকিং বলে। অন্য কোন ব্যাক্তির ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে তথ্য বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন ও উপযোগিতা হ্রাস করাও হ্যাকিংয়ের আওতাভুক্ত।
হ্যাকিং করার শাস্তি (Penalty for hacking):
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যাক্তি হ্যাকিং করে তাহলে তাহা একটি অপরাধ হবে। কোন ব্যাক্তি হ্যাকিং করলে অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বছর অর্থাৎ ১৪ বছরের নিচে যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড বা অনধিক ০১ (এক) কোটি টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
পুনরায় হ্যাকিং করার শাস্তি (Penalty for re-hacking):
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ৩৪(২) ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যাক্তি দ্বিতীয়বার বা পুন: পুন হ্যাকিং করে তাহলে তার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ০৫ (পাঁচ) কোটি টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হইবে।
হ্যাকিংয়ে সহায়তা করার শাস্তি (Penalty for aiding and abetting hacking):
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যাক্তি হ্যাকিং করায় সহযোগিতা করে তাহলে হ্যাকিং করলে যে দন্ড হবে সহযোগিতা কারীও একই দন্ডে দন্ডিত হইবে।
পর্ণোগ্রাফি সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তি কি ? জেনে রাখা কেন গুরুত্বপূর্ণ !
ডিজিটাল মাধ্যমের যত প্রসার ঘটছে হ্যাকিং করে অপরাধ করার প্রবনতা তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। হ্যাকিং করে তথ্য নষ্ট করা, টাকা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন,গোপন ছবি হাতিয়ে নিয়ে ব্লাকমেইল করার মত ঘটনা অহরহ ঘটছে। উল্লেখিত অপরাধগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী শাস্তি যোগ্য অপরাধ। আপনারা উক্ত অপরাধের শিকার হলে অপরাধের বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।
