মামলা হলে একটি বিষয় জেনে রাখবেন –
১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪, ৩৭৯, ৫০৬, ৫০৬(২), ৩৪ ধারায় মামলা মানে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের অভিযোগ করা হয়েছে। আইনে আলাদা আলাদা অপরাধের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাস্তি রয়েছে। যেমন চুরি করলে একটি অপরাধ, আঘাত করলে আরেকটি অপরাধ, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিলে আরেকটি অপরাধ। মামলা রুজুর ক্ষেত্রে আমাদের দেশে একটি ঘটনা অহরহ ঘটে তা হল- শুধুমাত্র কিলভূষির মত ঘটনাকে বাড়িয়ে চুরি, ডাকাতি, শ্লীলতাহানী, হুমকি ধমকি ঘটনা সাজিয়ে মিথ্যা মামলা রুজু হয়। আবার অজ্ঞাতনামা অনেক আসামী গং দিয়ে রাখা হয়। কারণ প্রয়োজন মত নিরীহ মানুষকে মামলায় জড়ানো যায়।
আলোচ্য ধারায় মামলা হলে বাদী নিম্নোক্ত অভিযোগ গুলো বিবাদীর বিরুদ্ধে করেছেন-
১৪৩ ধারাঃ ৫/১০ জন লোক মিলে হামলা।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন৩২৩ ধারাঃ কিল ভুষি মেরে লিলাফুলা জখম।
৩২৪ ধারা স্বেচ্ছাকৃত ভাবে আঘাত করা।
৩২৫ ধারাঃ স্বেচ্ছাকৃত ভাবে গুরুতর আঘাত।
৩২৬ ধারাঃ মারাত্মক অস্ত্রের সাহায্য গুরুতর আঘাত।
৩০৭ ধারাঃ হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত করা।
৩৫৪ ধারাঃ মহিলার গায়ে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি।
৩৭৯ ধারাঃ টাকা চুরির অভিযোগ।
৫০৬ ধারাঃ বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকির অভিযোগ।
৫০৬(২) ধারাঃ হত্যা করার হুমকি দিয়েছেন।
৩৪ ধারাঃ একই উদ্দেশ্য অপরাধ।
মামলা হলে করণীয় কিঃ
থানায় অভিযোগ দিলেই মামলা হয় না। এর জন্য মামলা FIR করতে হয়। আর এফআইআর হলেই কোন ব্যাক্তি অপরাধী নয় বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। নিচে মামলা হলে করণীয় ক্রমানুসারে দেওয়া হল।
১) মামলার তদন্তকারী অফিসারের খোঁজ নিন। এই ধারায় মামলা হলে সাধারণ এসআই (নি:) পদের পুলিশ অফিসার মামলাটি তদন্ত করবেন।
২) তদন্তকারী অফিসার মামলাটি ৩/৪ মাস তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট দিবেন।
৩) তিনি ঘটনার তদন্ত করে নতুন আসামী সংযোজন, আসামি বাদ দিয়ে এমনকি মামলায় অপরাধের ধারা কমিয়ে/ বাড়িতে দিতে পারেন।
৪) মিথ্যা মামলা হলে থানা থেকেই মামলা মিথ্যা মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেন।
৫) মামলা হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ একজন আইনজীবীর দেখা করুন এবং উনার পরামর্শ মোতাবেক আদালতে হাজিরা দেন।
৬) ৩২৫ ৩২৬ ৩০৭ ৫০৬(২) ধারায় অভিযোগ গুরুতর, এ সকল ধারায় বা আরো কিছু ধারা রয়েছে যেক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে আইনজীবীর পরামর্শ মোতাবেক পদক্ষেপ নিন।
৭) থানা হতে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করলে মামলার করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং মামলায় জামিনে থাকলে আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেন
