পরকিয়া বা ব্যভিচারঃ
যদি কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তির সম্মতি ব্যতীত তার স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম করে বা কোন ব্যাক্তি যদি জানে যে কোন নারী অন্য কোন ব্যাক্তির স্ত্রী তা জানা সত্ত্বেও উক্ত নারী সাথে যৌনসঙ্গম করে উক্ত যৌনসঙ্গম যদি ধর্ষণের অপরাধে দোষী না হয় তাহলে তা পরকিয়া বা ব্যভিচারের অপরাধে অপরাধী হবে। বর্তমানে আমাদের দেশে নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক শিক্ষা, সামাজিক অবক্ষয় ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাবে পরকিয়া বা ব্যভিচার দিন দিন বেড়েই চলেছে। যার কারণে দাম্পত্য জীবনে কলহ বা বিবাহ বিচ্ছেদ মত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।
পরকিয়া বা ব্যভিচারের শাস্তি:
বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী পরকিয়া ব্যভিচারের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। উক্ত আইন অনুযায়ী যদি কোন ব্যাক্তি পরকিয়া বা ব্যভিচারের অপরাধে অপরাধী হয় তাহলে যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড যা উর্দ্ধে ০৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবে। এ ক্ষেত্রে মহিলাটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে অপরাধী হবে না।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুননোট: তবে পরকিয়া বা ব্যভিচারের অপরাধে দন্ডবিধি আইনের ৪৯৭ ধারার মামলা করতে গেলে উক্ত নারীর স্বামী বা উক্ত নারীর তত্ত্বাবধানে রাখা কোন ব্যাক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যাক্তি উক্ত অপরাধে আদালতে মামলা করতে পারবে না । তবে কোন নারীর স্বামী যদি জড়বুদ্ধি, উন্মাদ বা জরাগ্রস্তবশত হয় তাহলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অন্য কোন ব্যাক্তি মামলা করতে পারবেন। যা ফৌজদারি কার্যবিধি ১৯৯ ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে।
