জুয়া কিঃ
আইনের দৃষ্টিতে জুয়ার সংজ্ঞা হলো “যদি কোন ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিগণ কোন গৃহ, তাবু, কক্ষ বা প্রাচীর বেষ্টিত স্থান, প্রাঙ্গণ,গাড়ীতে যে কোন স্থানের মালিক বা ব্যবহারকারী অর্থের বিনিময়ে ক্রীড়া অনুষ্ঠান করে তখন থাকে জুয়া বলে“। জুয়া খেলার শাস্তি কি, জুয়া খেলার জন্য স্থান দিলে কি অপরাধ হবে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়তে পারেন আশা করি নতুন তথ্য জানতে পারবেন।
মামলায় পড়লে করণীয় কি জেনে রাখুন !
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনজুয়া খেলার শাস্তি কিঃ
কোন গৃহে তাবু বা কক্ষে, প্রাঙ্গণে বা প্রাচীর বেষ্টিত স্থানে ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিগণকে তাস, পাশা, কাউন্টার অর্থ বা অন্য কোন সরঞ্জামসহ কাউকে পাওয়া যায় তাহলে সে ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিগণ জুয়া খেলার অপরাধে অপরাধী হবে। এমনকি জুয়া খেলার স্থানে কাউকে পাওয়া গেলে সেও জুয়া খেলার উদ্দেশ্য সমবেত হয়েছিল বলে গণ্য হয়ে অপরাধী হবে (বিপরীত প্রমাণ হলে অপরাধ হবে না)। উক্ত অপরাধের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার নিচে জরিমানা ও সর্বোচ্চ ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা উভয়দন্ড দিতে পারেন। (জুয়া আইন ৪ ধারা)
প্রকাশ্য স্থানে পশু–পক্ষীকে দিয়ে লড়াই করানোর শাস্তি কিঃ
যদি কোন ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিগণ প্রকাশ্য রাস্তায়, বাজারে, মেলায় বা প্রকাশ্য কোন স্থানে পশু–পক্ষীকে দিয়ে লড়াই করায় তাহলে তা জুয়া আইন অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে। উক্ত আইন ভঙ্গকারীকে যে কোন পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে। উক্ত অপরাধীকে ম্যাজিস্ট্রেট ৫০ টাকা জরিমানা অথবা ১ মাস পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন্ড দিতে পারেন। (জুয়া আইন ১১ ধারা)
জুয়া খেলার জন্য স্থান দিলে কি অপরাধ হবেঃ
যদি কোন ব্যাক্তি জুয়া খেলার জন্য কোন স্থান, গৃহ বা তাবু যাহা উক্ত ব্যাক্তির মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণ করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবে। উক্ত অপরাধীকে যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা কারাদন্ড উভয়ই দিতে পারেন। (জুয়া আইন ৩ ধারা)
তাছাড়া যে ব্যাক্তি জুয়া খেলার জন্য স্থান দিবে তাহাকে জুয়া খেলারত অবস্থায় বা জুয়া খেলার স্থানে পাওয়া না গেলেও সে অপরাধী হয়ে উপরোল্লিখিত দন্ডে দন্ডিত হবে।(জুয়া আইন ৯ ধারা)
অনলাইনে মামলা দেখার উপায়, মামলার অনুসন্ধান [২০২৬-২০২৭]
বর্তমানে জুয়া খেলা সামাজিক ব্যাধিতে রুপান্তরিত হয়ে ভয়ানক রুপ ধারণ করেছে। জুয়া খেলার জন্য অনেক পরিবারে অর্থনৈতিক দুর্দশা, পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। জুয়া খেলা নিয়ে মারামারি এমন কি খুনের মত ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। শুধু জুয়া আইনের প্রয়োগ করে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব নয়। এর জন্য আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। জুয়া খেলার ক্ষতিকর দিকের বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তাছাড়া অনলাইনে জুয়া খেলার শাস্তি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে না থাকায় অনলাইনে সক্রিয় জুয়াড়িদের শাস্তি প্রদান করা সম্ভব নয়। তাই অনলাইনে জুয়াড়ীদের আইনের আওতায় আনার জন্য নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে ।
