ফৌজদারি মামলাঃ
ফৌজদারি মামলা কত প্রকার ও কি কি জানতে হলে মামলার প্রকারভেদ সম্পর্কে জানতে হবে। মামলা দুই প্রকার-ফৌজদারি মামলা ও দেওয়ানী মামলা। ফৌজদারি মামলা হলো এমন ধরনের মামলা যা অপরাধমূলক কাজের জন্য দায়ের করা হয় । চুরি , মারামারি, খুন, ডাকাতি, ধর্ষনের মত মামলায় ফৌজদারি মামলা রুজু হয় । অপরদিকে দেওয়ানি মামলায় মূলত অধিকার বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয় । জায়গা জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত রিরোধে দেওয়ানি মামলা রুজু হয় । দেশের মোট রুজুকৃত মামলার প্রায় ৮০% ফৌজদারি মামলা। ফৌজদারি মামলা বেশির ভাগ সময় থানায় রুজু হয়্। দেওয়ানী মামলা থানা গ্রহণ করবে না, এটি আদালতে রুজু করা হয়। ফৌজদারি মামলাকে জিআর মামলা, পুলিশী মামলা বা সরকার বাদী মামলা বলা হয়।
ফৌজদারি মামলার কিছু উদাহরণঃ
০১। খুন, ডাকাতি, বা চুরি।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন০২। যৌন হয়রানি বা নিপীড়ন।
০৩। অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ, পাচার, বা লুটপাট।
০৪। জালিয়াতি, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান, বা প্রতারণা।
০৫। প্রাণনাশের হুমকি বা বেআইনি সমাবেশ।
০৬। সাইবার ক্রাইম বা তথ্য প্রযুক্তি-সম্পর্কিত অপরাধ ।
ফৌজদারি মামলা কত প্রকার ও কি কিঃ
অপরাধের প্রকৃতি ও শাস্তির মাত্রার উপর ফৌজদারি মামলাকে তিন ধরনের ভাগ করা হয়ঃ
০১। গুরুত্বপূর্ণ/জটিল (Cognizable)
০২। মৃদু/অনুমতি-নির্ভর (Non-cognizable)
০৩। তুচ্ছ/সারসংক্ষেপে নিষ্পত্তিযোগ্য (Summary)
০১। জেল এবং জরিমানাসহ মামলা (Cognizable Offences /জামিনের অযোগ্য ও জামিনযোগ্য মামলাঃ
এই ধরনের মামলায় পুলিশ অভিযোগ পেলে সরাসরি মামলা করতে পারে এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারে।
উদাহরণ: হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি।
০২। মৃদু অপরাধ বা নন-জেল (Non-cognizable Offences)
এই ধরনের অভিযোগ পুলিশ নথিভুক্ত করতে পারে, কিন্তু মামলা করার জন্য আদালতের অনুমতি লাগে।
উদাহরণ: সাধারণ ঝগড়া, ছোটখাট চুরি, হালকা আঘাত।
০৩। সারাদেশিক / তুচ্ছ অপরাধ (Petty Offences / Summary Offences)
খুব ছোটখাট অপরাধ, দ্রুত বিচার করা হয়।
উদাহরণ: ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, হালকা গণ্ডগোল ইত্যাদি।
