যৌতুকঃ
যৌতুক অর্থ বিবাহের সময়, বিবাহের পূর্বে, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থির থাকাকালে, বিবাহ অব্যাহত রাখার শর্তে, বিবাহের পণ বাবদ, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যখন এক পক্ষ অন্য পক্ষের কাছে কোন অর্থ, সামগ্রী বা কোন বস্তু দাবি, গ্রহণ ও প্রদান করে থাকে তখন থাকে যৌতুক বলে।
যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। পারিবারিক শিক্ষা, সামাজিক শিক্ষা, নৈতিকতার অভাব, কুসংস্কার, দেশের প্রচলিত প্রথার কারণে যৌতুক নির্মূল করা সম্পূর্নরুপে সম্ভব হচ্ছে না। যৌতুক প্রথা নির্মূলের জন্য বাংলাদেশের, যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনযৌতুকের জন্য খুন, গুরুতর আঘাত, সাধারণ আঘাত করার শাস্তি কি ?
যৌতুক দাবি করার শাস্তিঃ
যদি বিবাহের কোন এক পক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিবাহের জন্য অন্য কোন পক্ষে নিকট যৌতুক দাবি করে তাহলে তা অপরাধ হবে। যৌতুক নিরোধ আইন ৩ ধারা মোতাবেক তার শাস্তি নিম্নে ০১ বছর হইতে উর্ধে ০৫ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড অথবা ৫০,০০০ হাজার টাকা বা তার নিম্নে যে কোন পরিমাণ অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড হতে পারে।
যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করার শাস্তিঃ
যদি বিবাহের কোন এক পক্ষ কর্তৃক যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করেন অথবা যৌথ প্রদান বা গ্রহণে সহায়তা করেন, বা যৌতুক প্রধান বা গ্রহণে যেকোন চুক্তি করেন তাহলে তা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হবে। অর্থাৎ যৌতুক নেওয়া নেওয়া অপরাধ হবে। যৌতুক নিরোধ আইন ৪ ধারা মোতাবেক তার শাস্তি নিম্নে ০১ বছর হইতে উর্ধে ০৫ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড অথবা ৫০,০০০ হাজার টাকা বা তার নিম্নে যে কোন পরিমাণ অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড হতে পারে।
মামলা কত প্রকার ও কি কি, কারা মামলা করতে পারেন ?
বিঃ দ্রঃ যৌতুক নিরোধ আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ সংক্রান্ত কোনো চুক্তি হয়ে থাকলে তা ফলবিহীন হইবে। তাছাড়া যৌতুক নিরোধ আইন ৬ ধারা অনুযায়ী যৌতুক নিরোধ আইনে মিথ্যা মামলা করার শাস্তি উর্ধে ০৫ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড অথবা ৫০,০০০ হাজার টাকা বা তার নিম্নে যে কোন পরিমাণ অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড হতে পারে।
