প্রারম্ভঃ
১০৭ ধারা আসলে কি অনেকে জানেন না, এই ধারায় মামলা হলে অনেকে খুব ভয় পেয়ে যান। ১০৭ ধারা কি, এই ধারায় মিথ্যা মামলা হলে সহজে সমাধান কিভাবে করবেন তার বিস্তারিত জানতে হলে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
১০৭ ধারা কিঃ
আামাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। যেমন দন্ডবিধি, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, যৌতুক আইন ইত্যাদি। আইন গুলোতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বর্ণনা ও শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে এসব আইনের পাশাপাশি আদালত, বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কিছু বিধান রয়েছে । যা ফৌজদারি কার্যবিধি নামে পরিচিত। আর ১০৭ ধারা হল ফৌজদারী কার্যবিধির একটি বিধান। এই কার্যবিধির বিভিন্ন ধারায় দেশের আইন আদালত, বিচার কার্যক্রম ও পুলিশের করণীয় বর্জনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
⚖️ মাত্র ৩০০ টাকায় অনলাইনে আইনী পরামর্শ নিন
অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং সাবেক পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে যেকোন আইনী বিষয়ে পরামর্শ নিন এখনই।
🔍 বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন১০৭ ধারা কখন প্রয়োগ করা হয়ঃ
সাধারণত যখন কোন জায়গা, পুকুর, খাল বিল বা অন্য কোন কারণে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় তখন এই ধারার প্রয়োগ হয়। ফৌজদারি কার্যবিধি ১০৭ ধারা মোতাবেক পুলিশ অফিসার বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট একটি ননএফআইআর প্রসিকিউশন দাখিল করেন। উল্লেখ্য ১০৭ ধারা কোন মামলা নয় এর মধ্যে বাদী বিবাদী উল্লেখ থাকে না এতে ১ম পক্ষ ও ২য় পক্ষ থাকে।
১০৭ ধারায় মিথ্যা মামলা হলে করণীয়ঃ
১০৭ ধারা মূলত উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য জারি করা হয়। এতে কেউ আসামী নয় বরং দুটি পক্ষ থাকে। তাই ১০৭ ধারায় মামলা হলে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তবে ১০৭ ধারায় মামলা হলে উভয় পক্ষকে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা দিতে হবে এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি যাহাতে না ঘটে সেজন্য অবশ্যই মুচলেকায় নিশ্চয়তা দিতে হবে।
সাবধানতাঃ
এই ধারায় মামলা হলে আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হয়ে মুচলেকা দিলে সাথে সাথে জামিন হয়ে যাবে।পরবর্তীতে আদালতের আদেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে।তবে হাজির না হলে কিংবা মুচলেকা না দিলে গ্রেফতারী পরোয়ানা/ওয়ারেন্ট ইস্যূ হতে পারে।এই ধারা সাধারণত দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকে। মনে রাখা বাঞ্ছনীয় যে এটি গুরুতর কোন মামলা নয়। মামলাটি এমনিতেই নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তবে নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত আইনজীবীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।
