আইনী পরামর্শ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আইনী পরামর্শ ও সাম্প্রতিক আইনগত আপডেট পেতে ইমেইলে সাবস্ক্রাইব করুন।
Author: Law Helpline BD
ফৌজদারি মামলাঃ ফৌজদারি মামলা কত প্রকার ও কি কি জানতে হলে মামলার প্রকারভেদ সম্পর্কে জানতে হবে। মামলা দুই প্রকার-ফৌজদারি মামলা ও দেওয়ানী মামলা। ফৌজদারি মামলা হলো এমন ধরনের মামলা যা অপরাধমূলক কাজের জন্য দায়ের করা হয় । চুরি , মারামারি, খুন, ডাকাতি, ধর্ষনের মত মামলায় ফৌজদারি মামলা রুজু হয় । অপরদিকে দেওয়ানি মামলায় মূলত অধিকার বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয় । জায়গা জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত রিরোধে দেওয়ানি মামলা রুজু হয় । দেশের মোট রুজুকৃত মামলার প্রায় ৮০% ফৌজদারি মামলা। ফৌজদারি মামলা বেশির ভাগ সময় থানায় রুজু হয়্। দেওয়ানী মামলা থানা গ্রহণ করবে না, এটি আদালতে রুজু করা…
ভূমিকাঃ জরুরি ভিত্তিতে পুলিশি সহায়তার জন্য ৯৯৯ এর সেবা সমূহ প্রদান করা হয়। তাই পুলিশি সহায়তার প্রয়োজন হলে ফোন করতে দ্বিধাবোধ করা উচিত নয়। থানায় গিয়ে লিখিতভাবে আইনি সহায়তার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে ৯৯৯ এ কল দেওয়া ঠিক হবে না। বাংলাদেশ পুলিশ হেল্পলাইন নাম্বার ৯৯৯। এটি বিগত সরকারের যুগান্তরকারী পদক্ষেপ।হেল্পলাইনে জরুরি সেবা ছাড়াও আরো কিছু সেবা প্রদান করা হয় সে বিষয়ে আজকের পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা এবং “৯৯৯ এ কল করলে কি সত্যি পুলিশ আসে আর্টিকেলে আমরা এর উত্তর জানবো, এবং বুঝে নেব ৯৯৯ সেবার প্রক্রিয়া ও বাস্তবতা। ৯৯৯ কি? এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি অনলাইন সেবা বলা যায়। সহজে দ্রুততর সময়ে…
বর্তমান সমাজে নানা ধরনের বিরোধ, অপরাধ ও অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে থাকে। এসব ক্ষেত্রে থানায় ১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪, ৩৭৯, ৫০৬, ৫০৬(২), ৩৪ ধারায় মামলা রুজু হয় সবচাইতে বেশি। এটিকে সরকার বাদী বা জিআর মামলা বলা হয়। আজকে এই ধারায় মামলা প্রকৃতপক্ষে কি এবং করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। মামলা হলে একটি বিষয় জেনে রাখবেন – ১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪, ৩৭৯, ৫০৬, ৫০৬(২), ৩৪ ধারায় মামলা মানে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের অভিযোগ করা হয়েছে। আইনে আলাদা আলাদা অপরাধের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাস্তি রয়েছে। যেমন চুরি করলে একটি অপরাধ, আঘাত করলে আরেকটি অপরাধ, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিলে…
ভুয়া পুলিশঃ প্রকৃত পুলিশ আমাদের বন্ধু। তাদের কাছে আমরা বিপদে আপদে সহযোগিতা পেয়ে থাকি। তবে ভূয়া পুলিশ আমাদের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। তাই অহেতুক ভয়, প্রতারণা, ক্ষতির আশংকা থেকে নিজেকে রক্ষায় প্রকৃত পুলিশ ও ভূয়া পুলিশ চেনার উপায় জেনে রাখা প্রয়োজন । ভুয়া পুলিশ কারাঃ ভুয়া পুলিশ হলো সেইসব ব্যক্তি যারা প্রকৃত পুলিশ সদস্য না হয়েও পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা বা অপরাধমূলক কাজ করে । তারা সাধারণত পুলিশ ইউনিফর্ম, ব্যাজ, আইডি কার্ড বা পুলিশের মতো আচরণ করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে। ০১। বিভিন্ন বাহিনীর সাথে কাজ করে কিন্তু বাহিনীর সদস্য নয় তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সামরিক বাহিনীর কলাকৌশল…
জিডি কি (What is a General Diary): জিডি (General Diary) বা সাধারণ ডায়েরী থানার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিষ্টার। প্রতিটি থানায় সাধারণ ডায়েরী রয়েছে। থানা এলাকায় সংঘটিত চুরি , ডাকাতি, খুন,অপমৃত্যু ঘটনা, নিখোঁজ সংবাদ, আসামী গ্রেফতার, আসামী চালান, মহামারি, আইন শৃঙ্খলা অবনতি সংবাদ, হারানো কাগজপত্র, যেমনঃ-এনআইডি, পাসপোর্ট, চেক বহি, জন্ম নিবন্ধন , দলিল , গাড়ীর কাগজপত্র, স্কুল সার্টিফিকেটসহ হারানো যে কোন দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরী করতে পারবেন।এই জিডি ভবিষ্যতে নতুন কাগজপত্র ইস্যু করার সময় আইনি প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজন হয়। তাছাড়া থানায় জিডি করলে সেটি পুলিশের অফিসিয়াল রেকর্ডে থেকে যায়, যা ভবিষ্যতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। থানায় জিডি…
পৃথিবীর বহু দেশে পুলিশ বাহিনীতে চাকরি করা একটি অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা হিসেবে বিবেচিত। আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ ও জনসেবার মাধ্যমে অনেক দেশের পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। কিন্তু আমাদের দেশে এখনো পুলিশ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সেই আন্তরিক সম্পর্ক পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। নানা কারণে পুলিশের কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ হয়, বিশেষ করে আইনি ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই কারণেই সমাজে একটি লোকপ্রবাদ প্রচলিত “আকাশের যত তারা, পুলিশের তত ধারা।” এটি মূলত পুলিশের বিপুল আইনগত ক্ষমতা এবং আমাদের আইনি সচেতনতার অভাবকে নির্দেশ করে। বাংলাদেশে পুলিশের আইনি ক্ষমতা বুঝতে হলে জানতে হবে আইনগুলো, বাংলাদেশে বর্তমানে ৪০০টিরও বেশি আইন বলবৎ রয়েছে। এর মধ্যে…
আত্মরক্ষার ব্যাক্তিগত অধিকার নিজের জানমাল ও অপরের জানমাল রক্ষার জন্য আক্রমণকারীর আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য যে অধিকার প্রয়োগ করা হয় তাই আত্মারক্ষার ব্যাক্তিগত অধিকার।দন্ডবিধি আইনের ৯৯ ধারার বিধিনিষেধ সাপেক্ষে দণ্ডবিধি আইনের ১০০ ধারা মতে দেহ রক্ষা ও ১০৩ ধারা মতে সম্পত্তি ও দেহ রক্ষার জন্য আক্রমণকারীকে আত্মরক্ষার জন্য খুন করা যায়। আজকের পোস্টে যে সকল ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার জন্য খুন করলেও অপরাধ হবে না তার বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। যে সকল ক্ষেত্রে দেহ রক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটানো যায় তা আলোচনা করা হল। দণ্ডবিধি আইনের ১০০ ধারা অনুযায়ী ০১।এমন আক্রমণ করা হলে যার প্রকারন্তরে মৃত্যু হবে একামাত্র কারন। ০২। আক্রমণ করা হলে…
পৌরসভায় এলাকায় গ্রেফতারঃ দেশের আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। পৌরসভা এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ আইনের ৩৪ ধারা তেমনি একটি আইন। এই আইন অনুযায়ী পৌরসভায় ছোট অপরাধে গ্রেফতার হতে পারেন।পুলিশ আইনের ৩৪ ধারা মতে যদি কোনপৌরসভায় ছোট অপরাধের জন্য গ্রেফতার হতে পারেন ব্যক্তি পৌরসভা এলাকায় অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে যে শহরে বলবৎ বা প্রযোজ্য হয়েছে সেখানে কোন ব্যক্তি এমন কোনো কার্য করে যা দ্বারা শহরের লোক, বাসিন্দাদের বিরক্তি অসুবিধা বিপদ কিংবা বিঘ্ন সৃষ্টি করে তাহলে যেকোনো পুলিশ কর্মচারী তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে। পৌরসভায় যে ছোট অপরাধে গ্রেফতার হতে পারেন তার বিস্তারিত আলোচনা করা হল। (০১) অনাবৃত জায়গায় গবাদি…
আপনি জানলে অবাক হবেন যে, বাংলাদেশে বলবৎ দণ্ডবিধি (Penal Code) অনুযায়ী যত অপরাধের শাস্তি রয়েছে, তার মধ্যে সর্বনিম্ন নির্ধারিত হয়েছে মদ খাওয়ার শাস্তি । তবে মনে রাখতে হবে — মদ বিক্রি বা ব্যবসা করা একটি গুরুতর অপরাধ, যার শাস্তি অনেক বেশি কঠোর। মদ খাওয়ার শাস্তি, দণ্ডবিধি আইনের ৫১০ ধারা অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে মাতাল অবস্থায় অশোভন আচরণ করে, সে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে,যাহার মেয়াদ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে, অথবা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে,অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।” অর্থাৎ, কেউ যদি প্রকাশ্যে মাতাল হয়ে অশোভন আচরণ করেন, তবে তাকে এক দিনের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ টাকা জরিমানা,…
আপনি হয়ত শিরোনাম দেখে এই পোস্টটি পড়ার জন্য আগ্রহী হয়েছেন। আপনার মনে প্রশ্ন জেগেছে সত্যি কি অপরাধ না করলেও হতে পারে শাস্তি ! আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে হ্যাঁ অপরাধ না করলেও শাস্তি হতে পারে। এই সম্পর্কে আইনে স্পষ্ট একটি বিধান রয়েছে। এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে আপনাকে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। পৃথিবীতে মানুষের দ্বারা যত ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয় সবগুলো অপরাধের জন্য আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে। অপরাধ করলে আইনের দৃষ্টিতে আপনি অপরাধী। কিন্তু কোন কোন সময় আইনের অপব্যবহার হয়ে নিরপরাধ ব্যাক্তিও অপরাধী হতে পারে। কিন্তু এটি কোনক্রমেই কারো কাম্য নয়। সত্যি বলতে এই রকম একটি আইনের ধারা…