Author: Law Helpline BD

ভূমিকা আদালতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো সত্য সাক্ষ্য। একটি মামলার সঠিক বিচার অনেকাংশে সাক্ষীর বক্তব্যের ওপর নির্ভর করে। তাই কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দেন বা সত্য গোপন করেন, তাহলে নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি পেতে পারেন এবং প্রকৃত অপরাধী আইনের শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে পারে। এ কারণেই বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এ মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার শাস্তি সম্পর্কে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। এই নিবন্ধে মিথ্যা সাক্ষী কী, কারা মিথ্যা সাক্ষী দেয়, কেন দেয় এবং দণ্ডবিধির ১৯৩ ও ১৯৪ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার শাস্তি সম্পর্কে সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে। মিথ্যা সাক্ষী কী? মিথ্যা সাক্ষী বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি আইন…

Read More

মিথ্যা মামলা বিচারব্যবস্থার অপব্যবহারের একটি গুরুতর উদাহরণ। মিথ্যা মামলার শাস্তি কী? মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে মামলা করার উপায় জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে । ব্যক্তিগত শত্রুতা, পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা কিংবা প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে অনেক সময় নির্দোষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে জেনেশুনে মিথ্যা মামলা করা হয়। এর ফলে একজন নিরপরাধ ব্যক্তি শুধু আইনি জটিলতায় পড়েন না, বরং সামাজিক সম্মান, মানসিক শান্তি ও আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন। তবে বাংলাদেশের আইন কোনোভাবেই মিথ্যা মামলা সমর্থন করে না। বরং বিভিন্ন আইনে মিথ্যা মামলার শাস্তি, মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে মামলা করার উপায় হিসেবে মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরকারীর বিরুদ্ধে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা…

Read More

বিদেশে চাকরি, উচ্চশিক্ষা, অভিবাসন, ওয়ার্ক পারমিট কিংবা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য বর্তমানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (Police Clearance Certificate – PCC) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দলিল। তবে অনেকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, জিডি কিংবা মামলা থাকায় তারা দুশ্চিন্তায় থাকেন যে, মামলা থাকলে কি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায়? আসলে এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ সব ধরনের মামলা বা অভিযোগের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হবে কি না, তা নির্ভর করে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে থাকা মামলার ধরন, মামলার বর্তমান অবস্থা, আদালতের কার্যক্রম এবং পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর। তাই বিষয়টি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। পুলিশ…

Read More

পুলিশ রিপোর্ট কি পুলিশ রিপোর্ট কত প্রকার ও কি কি জানতে হলে পুলিশ রিপোর্ট কি জনা প্রয়োজন । কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা রুজু হলে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা তার অনুসন্ধানের ফলাফল আদালতের কাছে একটি লিখিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। এই প্রতিবেদনকেই পুলিশ রিপোর্ট বলা হয়। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় পুলিশ রিপোর্ট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এতে মামলার ঘটনা, সাক্ষ্য-প্রমাণ, সাক্ষীদের বক্তব্য, জব্দকৃত আলামত, অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার মতামত উল্লেখ থাকে। এই রিপোর্টের মাধ্যমে আদালত জানতে পারে, অভিযোগের সত্যতা কতটুকু এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রম কীভাবে…

Read More

বাংলাদেশে জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুলিশকে কিছু বিশেষ আইনগত ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। সেই ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি হলো পুলিশ আইনের ৩৪ ধারা। এই ধারার মাধ্যমে জনসাধারণের জন্য ক্ষতিকর, বিরক্তিকর বা জনশৃঙ্খলাবিরোধী কিছু নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করার ক্ষমতাও প্রয়োগ করতে পারে। পুলিশ আইনের ৩৪ ধারা  কি? এটি ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের একটি ধারা । পুলিশ আইনের এই ধারা মতে সরকার কর্তৃক ঘোষিত কোন এলাকা অথবা পৌরসভা এলাকায় যদি কোন ব্যাক্তি জনপথ, বাজার, রাস্তা, পার্ক কিংবা জনসমাগমস্থলে…

Read More

জনগণ ও পুলিশ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় পুলিশের গঠন, কাঠামো ও বাংলাদেশ পুলিশের পদবি সমূহ চেনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাছাড়া প্রশাসনিক বা আইনি প্রয়োজনে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করার সময় যদি আপনি জানেন কোন পদবীর কর্মকর্তা কী দায়িত্বে আছেন, তাহলে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সেবা পাওয়া সহজ হয়। এমনকি যারা সরকারি চাকরি, বিশেষ করে পুলিশ বা প্রশাসনিক পদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য পুলিশের পদক্রম Rank ব্যাজ সম্পর্কে ধারণা এবং পদবি অনুযায়ী কার কি কাজ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (১) কনস্টেবল (Constable): পুলিশের সর্বনিম্ন পদ হচ্ছে পুলিশ কনস্টেবল। যদি কোন পুলিশ সদস্যের সোল্ডার খালি তাকে তবে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন…

Read More

জীবনে কখনও আদালতে যেতে হবে এমনটি অনেকেই কল্পনাও করেন না। কিন্তু পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা, ব্যবসায়িক লেনদেন, চেক প্রতারণা বা অন্য কোনো আইনি সমস্যার কারণে অনেক সময় আদালতে হাজিরা দিতে হয়। প্রথমবার আদালতে যাওয়ার কথা শুনলেই বেশিরভাগ মানুষের মনে একই প্রশ্ন আসে—”মামলার হাজিরা দিতে কত টাকা লাগে?” আসলে এই প্রশ্নের একক কোনো উত্তর নেই। কারণ মামলার ধরন, আদালতের অবস্থান, আইনজীবীর সম্মানী, যাতায়াতের দূরত্ব এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচের ওপর মোট ব্যয় নির্ভর করে। তবে একটি বিষয় জেনে রাখা ভালো, শুধুমাত্র আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সাধারণত আলাদা কোনো সরকারি হাজিরা ফি দিতে হয় না। কিন্তু আদালতে যাওয়া মানেই কিছু আনুষঙ্গিক খরচ হতে পারে।…

Read More

বিবাহ মানবজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র সম্পর্ক। ইসলামে বিবাহকে শুধু সামাজিক চুক্তি নয়, বরং ইবাদতের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা, পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ এবং শান্তিপূর্ণ পারিবারিক জীবন প্রতিষ্ঠিত হয়। আল্লাহ তাআলা কুরআনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে ভালোবাসা (মাওয়াদ্দাহ) ও দয়া (রাহমাহ)-এর ওপর প্রতিষ্ঠিত বলে উল্লেখ করেছেন। তবে বাস্তব জীবনে কখনো কখনো দাম্পত্য সম্পর্কে মতবিরোধ, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা এমন জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে একসঙ্গে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। ইসলাম এমন অবস্থায় তাৎক্ষণিক বিচ্ছেদের নির্দেশ দেয় না। বরং ধৈর্য, পারস্পরিক আলোচনা, ক্ষমাশীলতা এবং উভয় পরিবারের মধ্যস্থতার মাধ্যমে সম্পর্ক রক্ষা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে বলে। মিথ্যা মামলা…

Read More

আপনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে অথবা আদালতে মামলা বিচারাধীন আছে । আইনি ঝামেলার ভয়ে আছেন। অনলাইনে মামলা দেখার উপায় জানা নেই ? তাহলে পোস্টটি আপনার জন্য খুবই তথ্যবহুল হবে। অনলাইনে মামলা দেখার উপায়, মামলার অনুসন্ধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। মামলার বিষয়ে জানতে অনলাইন সবচাইতে উৎকৃষ্ট । তবে আলোচনার পূর্বে একটি বিষয় জানিয়ে রাখা ভালো অনলাইনে কিংবা অফলাইনে হোক মামলা দেখার জন্য থানা এবং কোর্টে যোগাযোগ করা সময়সাপেক্ষ এবং জটিল।  অনলাইনে/অফলাইনে থানা বা আদালতে সহজে মামলা দেখার উপায় নিচে আলোচনা করা হল। অনলাইনে থানায় মামলা দেখার উপায়ঃ  কোন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা থানা অথবা আদালতে এই দুই জায়গায় হতে পারে। থানার মামলা দুই…

Read More

দন্ডবিধি আইন যাকে অন্য ভাষায় বাংলাদেশ পেনাল কোড বা বিপিসি বলে । এই দন্ডবিধি আইনের ৩৭৯ ধারা অতি পরিচিত। এই ধারার মামলা হলে জামিন যোগ্য কি না বা শাস্তি কি অনেকে জানেন না। আজকে দন্ডবিধি আইনের ৩৭৯ ধারা কি জামিন যোগ্য, এই ধারার মামলা হলে শাস্তি কি বিস্তারিত আলোচনা করব। ৩৭৯ ধারা কিঃ ৩৭৯ ধারা সম্পর্কে জানার আগে এই ধারা কি আগে জানতে হবে। এটি চুরির মামলা ধারা। অর্থাৎ যদি কোন ব্যাক্তি চুরি সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকে মর্মে অভিযুক্ত হয় তাহলে এই ধারায় মামলা হবে। শুধুমাত্র চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত হলে দন্ডবিধি আইনের ৩৭৯ ধারায় মামলা হয়। সাথে অন্য কেউ জড়িত…

Read More