আইনী পরামর্শ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আইনী পরামর্শ ও সাম্প্রতিক আইনগত আপডেট পেতে ইমেইলে সাবস্ক্রাইব করুন।
Author: Law Helpline BD
পাখি ও প্রকৃতিঃ পাখি আমাদের প্রকৃতির অন্যতম প্রধান অংশ। আমাদের দেশে একসময় দেশি-বিদেশি প্রচুর পাখি দেখা যেত।পাখিরা ক্ষেত খামারের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে ফসল রক্ষা করে। অনেক পাখি ময়লা, মরা জীব জন্তুুর মাংস ভক্ষণ করে পরিবেশ দূষণ রোধ করে।কিন্তু বর্তমানে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস ও নানা ভাবে পাখি শিকার করার কারণে পাখির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অথচ পাখি শিকার করা শাস্তি যোগ্য অপরাধ। পাখিরা পরিবেশের সৌন্দর্য অনেকটাই বাড়িয়ে তুলে। তাই দেশি-বিদেশি পাখি রক্ষায় আমাদের সচেতন হতে হবে এবং সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে ও বন্যপ্রানী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ এর যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। আজকের পোস্টের মাধ্যমে বন্যপ্রাণী…
অপহরণ কিঃ কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তিকে কোন স্থান হইতে গমন করিবার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা প্রতারণামূলকভাবে প্রলুব্ধ করে তাহলে তা অপহরণ বলিয়া গন্য হবে। তাছাড়া অপহরণ কি? অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা আজকে আলোচনা করা হবে।সত্যি বলতে কি, বর্তমানে যে সকল অপরাধের সংঘটিত হচ্ছে তার মধ্যে গুম বা অপহরন অন্যতম। প্রতিদিন বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যেমে অসংখ্য অপহরন বা গুমের খবর পাওয়া যায়। নারী অপহরণসহ অন্যন্য অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিতঃ খুন, গুরুতর আঘাত, বিবাহ করিতে বাধ্য করা, মুক্তিপণ আদায়, মানব পাচার প্রভৃতি উদ্দেশ্য বিভিন্ন বয়সের মানুষ অপহরণের শিকার হয়। প্রতিটি অপহরণের শাস্তির বিধান আইনে রয়েছে। আজকের পোষ্টের মাধ্যমে নারী অপহরণসহ…
খুন বা হত্যা (murder): খুন বা হত্যা করা একটি আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপোষঅযোগ্য অপরাধ। যদি কোন ব্যাক্তি খুনের মত অপরাধ করে তাহলে তাকে পুলিশ পরোয়ানা ব্যাতীত অর্থাৎ আদালতের আদেশ ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে। বর্তমানে আমাদের দেশে খুবই ছোট খাট বিষয় নিয়ে খুনের মত ঘটনা ঘটছে। খুন বা হত্যা করার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড। আজকের পোস্টের মাধ্যমে দন্ডবিধি আইন অনুযায়ী খুনের শাস্তি কি, আত্মরক্ষার জন্য চোর বা ডাকাতকে কি হত্যা করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। খুন বা হত্যা কি (what is murder): যদি কোন ব্যাক্তি অপর কোন ব্যাক্তির মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও এমন কোন ধরনের…
জিডি (General Dairy): জিডি শব্দটি আমাদের নিকট খুবই পরিচিত। এনআইডি,পাসপোর্ট, চেকবই হারানো, নিখোজ সংবাদ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারানো ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকিসহ নানা কারণে থানায় জিডি করা হয়। আজকের পোস্টে জীবনের নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি কতটা কার্যকর তার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব। জীবনের নিরাপত্তার জন্য জিডিঃ বিভিন্ন কারণে আমাদের হুমকির সম্মুখীন হতে হয়। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ হুমকি ধমকির কারণে অনেক সময় প্রাণনাশের মত ঘটনা ঘটে। তাই অনেকে জীবনের নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করেন। জিডি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ আমাদের মনে রাখতে হবে আইন আদালত, পুলিশ বিভাগ, বিচার বিভাগ সবই আইন অনুযায়ী চলে। প্রতিটি বিভাগ কিভাবে চলবে তার সুনির্দিষ্ট আইন…
সরকারি চাকরিঃ দেশের শিক্ষিত তরুণ তরুণী যে হারে বাড়ছে সে হারে চাকরির শূন্যপদ সৃষ্টি হচ্ছে না। যার কারণে প্রচুর লেখাপড়া করা সত্ত্বেও আমাদের দেশের অনেক তরুণ তরুণীদের বেকার থাকতে হচ্ছে। বর্তমানে সরকারি বা বেসরকারি চাকরির প্রত্যাশীদের প্রতিযোগিতা অত্যন্ত বেশি। তাই আমরা যদি সরকারি চাকরির যথাযথ প্রস্তুতি না নিয়ে লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি তাহলে অসফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে । আজকে এমন কিছু টিপসের বিষয়ে আলোচনা করব যা সরকারি চাকরির লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ভালো করার জন্য আপনাদেরকে অনেকটা এগিয়ে রাখবে। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ সরকারি বা বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষা অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ধরনের পদের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা প্রশ্ন…
ড্রাইভিং লাইসেন্সঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স একটি সনদপত্র যার দ্বারা প্রত্যয়ন করা হয় আপনি গাড়ি চালানোর জন্য উপযুক্ত। যে কোন দেশে গাড়ি চালাতে গেলে এটি অবশ্যই লাগবে। বাংলাদেশ ও তার ব্যতিক্রম নয়। ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতিত গাড়ি চালনা করা সড়ক ও পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী শাস্তি যোগ্য অপরাধ। তাই লাইসেন্স ব্যতিত গাড়ি চালানো উচিত নয়। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে যেসব যোগ্যতা লাগে তা নিম্নরূপ। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে যোগ্যতা সমূহঃ ০১। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের কমপক্ষে বয়স ১৮ বছর হতে হবে। ০২। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। ০৩। শিক্ষাগত যোগ্যতা অন্যূন (নিম্নে) অষ্টম শ্রেণী বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে ০৪।…
দেশের শান্তি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় আনসার ভিডিপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আনসার ভিডিপি একটি স্বনামধন্য বাহিনী। নিয়োগ প্রাপ্ত আনসার ভিডিপির সদস্যরা দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের দেশে ব্যাটালিয়ন আনসার ও সাধারণ আনসার নামে দুইটি শাখা রয়েছে। প্রতিটি শাখার আলাদা নিয়ম কানুন রয়েছে। আজকে আমরা সাধারণ আনসার ভিডিপি বাহিনী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। সাধারণ আনসার বাহিনীতে যোগদানের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এজন্য পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। তাছাড়া সাধারণ আনসার ভিডিপি বাহিনীতে যোগদানের জন্য উপজেলা বা জেলা আনসার ভিডিপি অফিসে যোগাযোগ করলে নিয়োগ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে।…
আনসার ভিডিপি ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতি সুদক্ষ “ব্যাটালিয়ন আনসার”। ব্যাটালিয়ন আনসার নিয়োগ সম্পর্কে আমাদের অনেক তথ্য অজানা রয়েছে। ব্যাটালিয়ন আনসার বাহিনীর পোষাক, সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনীর এপিবিএন এর পোষাকের মত একই রকম মনে হয়। কোন বাহিনীর সদস্য বা সচেতন নাগরিক ব্যতীত ব্যাটালিয়ন আনসার বাহিনীর সদস্যদের অন্যন্য বাহিনী হতে আলাদা করা কঠিন। ব্যাটালিয়ন আনসার বাহিনীর সদস্যদের খুবই স্মার্ট লুকে দেখা যায়। তবে শুধু পোষাকে ব্যাটালিয়ন আনসার বাহিনী স্মার্ট নয়। দক্ষতা ও গুণাবলির দিক দিয়ে এই বাহিনী অনেক সুনাম অর্জন করেছে। বাংলাদেশের অন্যন্য বাহিনীর মতই ব্যাটালিয়ন আনসার দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী সময়কালে এই বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস…
প্রারম্ভঃ ১০৭ ধারা আসলে কি অনেকে জানেন না, এই ধারায় মামলা হলে অনেকে খুব ভয় পেয়ে যান। ১০৭ ধারা কি, এই ধারায় মিথ্যা মামলা হলে সহজে সমাধান কিভাবে করবেন তার বিস্তারিত জানতে হলে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। ১০৭ ধারা কিঃ আামাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। যেমন দন্ডবিধি, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, যৌতুক আইন ইত্যাদি। আইন গুলোতে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বর্ণনা ও শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে এসব আইনের পাশাপাশি আদালত, বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কিছু বিধান রয়েছে । যা ফৌজদারি কার্যবিধি নামে পরিচিত। আর ১০৭ ধারা হল ফৌজদারী কার্যবিধির একটি বিধান। এই কার্যবিধির বিভিন্ন ধারায় দেশের আইন…
আমাদের দেশে যে ধারা গুলোয় মামলা হয় তার মধ্যে সবচাইতে পরিচিত হল ৩২৩ ও ৫০৬ ধারা। অনেকেই জানেন না ৩২৩ ও ৫০৬ ধারা প্রকৃতপক্ষে কি। আজকে আমরা উক্ত ধারাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। ৩২৩ ও ৫০৬ ধারা কিঃ ৩২৩ ও ৫০৬ ধারা বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের একটি অংশ। কোন ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃত ভাবে আঘাতের জন্য দন্ডবিধি ৩২৩ ধারা ও মারধরের হুমকি প্রদানের জন্য দন্ডবিধি ৫০৬ ধারায় মামলা হয়। ৩২৩ ধারায় অপরাধঃ দন্ডবিধি আইনের ৩২৩ ধারায় বলা হয়েছে যদি কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে আক্রমণ করে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে তাহলে অপরাধ হবে। দন্ডবিধি ৩২৩ ধারায় মামলা হবে। সাধারণত কিল ভুষি দিয়ে লিলাফুলা জখমের…