আইনী পরামর্শ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আইনী পরামর্শ ও সাম্প্রতিক আইনগত আপডেট পেতে ইমেইলে সাবস্ক্রাইব করুন।
Author: Law Helpline BD
বাংলাদেশ পুলিশের রেশন সামগ্রীঃ বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা কি কি রেশন সামগ্রী পেয়ে থাকেন তা জানার আগ্রহ অনেকের মধ্যে রয়েছে। যে কোন পদবির একজন পুলিশ সদস্য চাকরিতে যোগদান করার ০১ (এক) সদস্য রেশন সামগ্রী পেয়ে থাকেন। বিয়ে করার পর ০২ (দুই) সদস্য এবং সন্তান জন্ম নিলে ০২ সন্তান, স্ত্রী ও নিজেসহ সর্বোচ্চ ০৪ (চার) সদস্য রেশন পেয়ে থাকেন। পুলিশ সদস্যদের রেশনের মধ্যে সাধারণত চাল, ডাল, তেল, আটা, চিনি পেয়ে থাকেন। তাছাড়া অনেক সময় পোলাও চাল পেয়ে থাকেন। অনেকে মনে করেন পুলিশ সদস্যরা গুড়া দুধসহ অন্যন্য রেশন সামগ্রী পান বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পুলিশ সদস্যরা কি কি রেশন পেয়ে থাকেন তার তথ্য নিম্নরুপ।…
পরকিয়া বা ব্যভিচারঃ যদি কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তির সম্মতি ব্যতীত তার স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম করে বা কোন ব্যাক্তি যদি জানে যে কোন নারী অন্য কোন ব্যাক্তির স্ত্রী তা জানা সত্ত্বেও উক্ত নারী সাথে যৌনসঙ্গম করে উক্ত যৌনসঙ্গম যদি ধর্ষণের অপরাধে দোষী না হয় তাহলে তা পরকিয়া বা ব্যভিচারের অপরাধে অপরাধী হবে। বর্তমানে আমাদের দেশে নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক শিক্ষা, সামাজিক অবক্ষয় ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাবে পরকিয়া বা ব্যভিচার দিন দিন বেড়েই চলেছে। যার কারণে দাম্পত্য জীবনে কলহ বা বিবাহ বিচ্ছেদ মত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। পরকিয়া বা ব্যভিচারের শাস্তি: বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী পরকিয়া ব্যভিচারের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।…
ডিএনএ কি (DNA): ডিএনএ কি, ডিএনএ প্রযুক্তি কেন গুরুত্বপূর্ণ অনেকেই জানেন না। ডিএনএ কি জানতে হলে প্রথমে DNA এর পূর্ণরুপ জানা প্রয়োজন। DNA এর পূর্ণরুপ হলো deoxyribo nucleic acid. দেহের প্রত্যেকটি কোষের অভ্যন্তরে এই এসিড বিরাজ করে। ডিএনএ এর ভিন্নতায় মানুষ পায় ভিন্ন আকৃতি। বর্তমানে অপরাধ উদঘাটন ও অপরাধী শনাক্তকরণে ডিএনএ প্রযুক্তি নির্ভুল সঠিক প্রমাণ দিতে সক্ষম। একজন ব্যক্তি ক্রোমোজোমে ডিএনএ পাওয়া যায়। এছাড়াও রক্ত বীর্য চুল হইতে ডিএনএ পাওয়া যায়। এসব বিশ্লেষণ করে প্রযুক্তিবিদগণ সঠিক মতামত দিয়ে থাকেন। ডিএনএ প্রযুক্তি কেন গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় যে গুলো সাধারণ ভাবে সমাধান করা কঠিন, ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা সহজেই নিষ্পত্তি…
যৌতুকঃ যৌতুক অর্থ বিবাহের সময়, বিবাহের পূর্বে, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থির থাকাকালে, বিবাহ অব্যাহত রাখার শর্তে, বিবাহের পণ বাবদ, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যখন এক পক্ষ অন্য পক্ষের কাছে কোন অর্থ, সামগ্রী বা কোন বস্তু দাবি করে থাকে তখন থাকে যৌতুক বলে। যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। পারিবারিক শিক্ষা, সামাজিক শিক্ষা, নৈতিকতার অভাব, কুসংস্কার, দেশের প্রচলিত প্রথার কারণে যৌতুক নির্মূল করা সম্পূর্নরুপে সম্ভব হচ্ছে না। যৌতুক প্রথা নির্মূলের জন্য বাংলাদেশের, যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। যৌতুক দাবি করার শাস্তিঃ যদি বিবাহের কোন এক পক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিবাহের জন্য অন্য কোন পক্ষে নিকট যৌতুক দাবি করে তাহলে…
পর্নোগ্রাফি কিঃ যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি কারী কোন অশ্লীল ভিডিও, ছবি, চলচ্চিত্র, নৃত্যকে পর্নোগ্রাফি বলে। পর্নোগ্রাফির কারণে সমাজে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যায়। মারামারি, খুন ও ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটে। আজকের পোস্টে পর্ণোগ্রাফি সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তি কি এর বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২ বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ ও এ সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২ এর বিভিন্ন ধারা রয়েছে। যার মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে সামাজিক মর্যাদা হানি, মোবাইল ফোনে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ, পর্নোগ্রাফি প্রদর্শন করে গণউপদ্রব সৃষ্টি, শিশুকে ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদনের মত ঘটনার শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। পর্নোগ্রাফি উৎপাদন করার শাস্তিঃ যদি কোন ব্যাক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন করে, উৎপাদন…
পিতামাতার ভরণপোষণঃ পিতামাতার ভরণপোষণ না করার শাস্তি কি সে সম্পর্কে আইনে বিধান রয়েছে। অথচ আমাদের সমাজে পিতামাতাকে ভরপোষণ না করার মত ঘটনা বর্তমানে অহরহ ঘটছে।পারিবারিক ও নৈতিক শিক্ষার অভাব এর অন্যতম কারণ। পিতামাতা তার সন্তানদের অনেক কষ্ট করে বড় করে তুলেন। সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অনেক পিতা মাতা তাদের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেন। কিন্তু সন্তান বড় হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তাদের পিতামাতার যত্ন নেন না কিংবা অবহেলা করেন। যার ফলে বৃদ্ধ বয়সে অনেক পিতা মাতাকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়। অনেক সন্তান তার বৃদ্ধ পিতামাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে আসতে কৃন্ঠাবোধ করেন না। পিতা-মাতার ভরপোষণ আইন ২০১৩ঃ পিতামাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশে…
আইন ও পুলিশঃ পুলিশের ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪ ধারা কেন গুরুত্বপূর্ণ তা জানার পূর্বে আইন সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। আইন হল একটি নিয়ম যা মানুষের সৃষ্টি। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অপরিহার্য অংশ হল আইন। কারণ আইন আমাদের শেখায় কি করা যাবে অথবা করা যাবে না।বিভিন্ন দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। ফৌজদারী কার্যবিধি তেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। আইনের কারণে মানুষ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ থেকে দূরে থাকে। আর সেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হচ্ছে পুলিশ বাহিনী। যদিও কিছু আইন প্রয়োগ করার জন্য অন্যন্য বাহিনী বা সংস্থাকে কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মূল ভূমিকা পালন করে…
ফেসবুক (Facbook): আমাদের দেশের বিরাট একটি অংশ ফেসবুক ব্যবহার করে। বর্তমানে যোগাযোগের অন্যতম একটি মাধ্যম ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহারের ফলে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ রক্ষা, তথ্য আদান-প্রদান, ছবি শেয়ারিং ও মনের অভিব্যক্তি অপরের নিকট প্রকাশ করা আরো সহজ হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিন্তু ফেসবুক ব্যবহার করেন না এমন লোক পাওয়া কঠিন। তাই ফেসবুকে করনীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা উচিত। আজকের পোস্টের মাধ্যমে ফেসবুকে যে কাজগুলো করলে ১০ বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে তার বিস্তারিত আলোচনা করব। ফেসবুকের অপব্যবহার (Abuse of Facebook): আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারে যেমন প্রয়োজনীয় তেমনি এর অব্যবহারে ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে। যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুকও…
হ্যাকিং (hacking): বর্তমানে আমরা যারা কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওয়েবসাইট, ইউটিউব, ফেসবুক, গুগল ব্রাউজার ব্যবহার করছি তাদের নিকট হ্যাকিং একটি পরিচিত শব্দ। বর্তমানে হ্যাকিং করে ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সংঘটিত হচ্ছে । তাই হ্যাকিং করার শাস্তি কি, হ্যাকিং সহায়তাকারীর কি জেল হয় সে সম্পর্কে জেনে রাখা ভাল। হ্যাকিং সহ ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারায় বিধান রাখা হয়েছে। আজকের পোস্টের মাধ্যমে হ্যাকিং করার শাস্তি কি, হ্যাকিং সহায়তাকারীর কি জেল হয় কিনা তার বিস্তারিত জানতে পারবেন। হ্যাকিং কি (What is hacking): যদি কোন ব্যাক্তি নিজ মালিকানাধীন বা দখলবিহীন কোন কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক…
ডাকাতিঃ ডাকাতি একটি আমলযোগ্য,জামিন অযোগ্য ও আপোষ অযোগ্য অপরাধ। বর্তমানে আমাদের দেশে গৃহ, নৌকা, স্বর্ণের দোকান ও গাড়ি ডাকাতির মত ঘটনা অহরহ ঘটছে। এসব ঘটনায় বিভিন্ন সময় ডাকাতরা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও পরবর্তীতে জামিনে বের হয়ে পুনরায় ডাকাতি শুরু করে। দন্ডবিধি আইনে ডাকাতির মত গুরুতর অপরাধের যথেষ্ট শাস্তির বিধান রয়েছে। আজকের পোস্টের মাধ্যমে ডাকাতির শাস্তি কি ও ডাকাতির মালামাল ক্রয় করা অপরাধ কিনা বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। ডাকাতি কিঃ যখন পাঁচ বা ততোধিক ব্যাক্তি মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয় ভয় ভীতি বা হুমকি প্রদর্শন করে মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নেয় তখন তাকে ডাকাতি বলে। ডাকাতিকালে পাঁচ বা তার উপরে অপরাধী থাকতে হবে…